বুদ্ধির গল্প-১
একবার এক কাঠাল গাছের নিকট দুই ব্যক্তি হাজির হলো।একজন হল ল্যাংড়া আরেকজন অন্ধ। উভয়ে কাঠাল খাওয়ার জন্যে চেষ্টা করতে লাগলো। সমস্যা হলো একজনের চোখ নেই তাই সে কাঠাল দেখে না আর দ্বিতীয়জন হলো ল্যাংড়া তাই সে গাছে উঠতে পারে না। এখন কাঠাল কিভাবে পাড়বে এ নিয়ে উভয়ে চিন্তা করতে লাগলো।হঠাৎ অন্ধ লোকটি বলল ল্যাংড়া ভাই!আমার তো চোখ নেই তাই আমি দেখি না। আর তোমার চোখ আছে তাই তুমি কাঠাল দেখতে পাচ্ছো কিন্তু পা নাই বলে উঠতে পারছো না। একটি কাজ করো। আমার গায়ে শক্তি আছে তুমি আমার কাঁধে চড়ে যাও এবং কাঠাল পেড়ে নাও। যেমন বুদ্ধি তেমন কাজ। ল্যাংড়া আর দেরি না করে অন্ধের কাঁধে চড়ে কাঠাল পেড়ে নিল। এই ঘটনার দ্বারা বুঝা গেল সম্মিলিত।
প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি কঠিন কাজকে সহজ করা যায়।আজ অনেককে দেখা যায় নিজেকে অযোগ্য ভেবে গা বাঁচিয়ে চলতে চায়।এটা কোন ভাবে ঠিক নয়।বরং প্রত্যেকের মধ্যে কিছু না কিছু যোগ্যতা অবশ্যই রয়েছে। যার যে যোগ্যতা আছে সমস্ত যোগ্যতার সমন্বয়ে একটি সফল সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
সম্মিলীত যোগ্যতার মাধ্যমে মানুষ যেভাবে সামাজিক ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রেও অবদান রাখতে পারে। একজন বড় আলেম কোন এক মজলিসে বলেছিলেন, একজন যুবক একশত বৃদ্ধের গায়ের শক্তি রাখে আর একজন বৃদ্ধ একশতজন যুবকের মাথার জ্ঞান রাখে। অতএব, কর্মক্ষেত্রে উভয়েরই সমান প্রয়োজন।